বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd জুলাই ২০১৯

চেয়ারম্যান

প্রণয় কান্তি বিশ্বাস
চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব)
বিআইডব্লিউটিসি
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।


সরকারের অতিরিক্ত সচিব প্রণয় কান্তি বিশ্বাস ২১ জানুয়ারী ২০১৯ বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর আগে তিনি বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব পালন করেন। বিআইডব্লিউটিসির সভাকক্ষে সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ নতুন চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় গিরিশনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মামার বাড়ী গোপালগঞ্জ সদরে হওয়ায় বড় হওয়া থেকে লেখাপড়া গোপালগঞ্জে শুরু করেন। তিনি গোপালগঞ্জ সরকারী বঙ্গবন্ধু মহাবিদ্যালয় হতে এইচ.এস.সি ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ হতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। 
প্রণয় কান্তি বিশ্বাস ১৯৮৫ ব্যাচের বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। ১৯৮৮ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার অফিসে যোগদানের পর কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস হতে প্রথমে মাঠ প্রশাসনে চাকরি শুরু করেন। পরবর্তীতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা, পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পিরোজপুর জেলার কাউখালি উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পিরোজপুরে এনডিসির দায়িত্ব পালন করেন। ঝিনাইদহ ডিসি অফিসে ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, মেহেরপুর ডিসি অফিসে এনডিসি ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, যশোরের চৌগাছার ইউএনও, ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা ইউএনও, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়াধীন বিপিএটিসির উপপরিচালক, বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ভ‚মি মন্ত্রণালয়ের অধীন বরিশাল জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন বরিশাল বিভাগের পরিচালক (স্থানীয় সরকার), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পিতা মোল্লাহাট আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক  হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সরাসরি আগুন দিয়ে তার সুপ্রতিষ্ঠিত পৈত্রিক বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে ভষ্ম করে দেয়। তাঁর পিতাকে দুইবার সেনা ক্যাম্পে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করা হয় এবং শুধুমাত্র স্রষ্টার অপার মহিমায় জীবিত ফিরে আসেন। তাঁর পরিবারে তিনিসহ প্রায় সকলেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তার বড়ভাই গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু মহাবিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ১৯৭৫-১৯৭৭ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধের আন্দোলন গড়ে তোলায় রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় দু’বার গ্রেফতার হন এবং পরবর্তীতে পলায়ন জীবন বেছে নিয়ে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের জগন্নাথ হল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৭৮ হতে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারী একজন ছাত্রনেতা ছিলেন। চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য বিআইডব্লিউটিসিকে একটি অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
 

(মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মিশা)
জনসংযোগ কর্মকর্তা
ফোনঃ ৯৬৭৩৮০৩,০১৫৫২৩৮২৫১২
pro@biwtc.gov.bd


Share with :

Facebook Facebook